ঝগড়া--

* প্রথমত--ঝগড়াটে। দ্বিতীয়ত--অসভ্য। তৃতীয়ত--কৃপণ। এই তিন প্রকারের মানুষ থেকে দূরে থাকা ভাল।

* ‘ফ্যাসাদি’ ‘অসভ্য’ ‘কৃপণএরা একটি সমাজের, একটি গ্রামের, একটি শহরের একটি দেশের কলঙ্ক।

* কলহপ্রিয় মানুষ কখনো শান্তি পায় না।

* যত বড় হতে চাই ততই ছোট হই তবে...  

* দুষ্ট মানুষ কখনো সফল নয়।

* নম্রতা মহত্ত্বের পরিচয়।

* ঝগড়াটে মানুষকে যেমন লোকে ভালবাসে না, তদ্রূপ বিধাতাও ভালবাসেন না।

* পুরুষের ঝগড়া যত গ্লানিকর নয়, নারীর ঝগড়া তারচেয়ে অধিক গ্লানিকর।

* যে পুরুষ নারীর সঙ্গে বিবাদ করে--সে কাপুরুষ।

* যে নারী পুরুষের সঙ্গে ঝগড়া বাধায়--সে নারীযোগ্যতা হারায়।

* যে মানুষ সব সময় ঝগড়া করে সে মানুষের মতো দুষ্ট মানুষ পৃথিবীতে আরেকটা নেই।

* চরিত্রহীন এবং চরিত্রহীনার কাছ থেকে যেমন ভাল মানুষেরা দূরত্ব চায়, তেমনি ঝগড়াটে মানুষের কাছ থেকেও ভাল মানুষেরা বাঁচতে চায়।

* আমি সবকিছুকে ভালবাসতে পারি তবে বিবাদী এবং বিবাদপ্রিয়কে নয়।

* ঝগড়াটে মানুষের হৃদয় মলিন।

* ঝগড়া মানুষকে বদনাম করে দেয়।

* ঝগড়া করে কেউ কোনদিন বড় হতে পারে নি।

* ঝগড়া সব সময় বংশনীচতার পরিচয় দেয়।

* অসভ্য মানুষেরা সব সময় ঝগড়াফ্যাসাদ করে।

* স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়াতে কোনো গ্লানি থাকে না--থাকে ত অভিমান। আর যে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ায় গ্লানি দেখা যায় সে স্বামী-স্ত্রী অচিরেই বন্ধনমুক্ত হওয়া উত্তম।

* যে ঝগড়া করে, সে মহৎ হতে পারে না; আর যে মহৎ, সে ঝগড়া করতে পারে না।

* ঝগড়াঝাটি যার ভূষণ তার জীবন কালিমার অঙ্কন।

* ঝগড়াঝাটির পরিমণ্ডলে যে বড় হয়েছে, সে একটা মারাত্মক গণ্ডির মধ্যে বড় হয়েছে; সুতরাং ঝগড়াটা তার রক্তমাংসে মিশে গেছে--তার থেকে আর কিছু আশা করা যায় না।

* ঝগড়াঝাটির মণ্ডপে বাস করা যায় তবে মানুষ হওয়া যায় না।

* ঝগড়াঝাটি-বিপর্যয়--এসব মহত্ত্বের বিপরীত মানবতার বিরুদ্ধ।

* কলঙ্কের এক নামঝগড়া

* ঝগড়া নয়, ঝগড়া নয়, ঝগড়াতে সব গ্লানি

নির্দয় হয় দয়াদ্রহস্ত ছিন্ন হয় করুণার পাণি--

ঝগড়াতে সব গ্লানি।