মৃত্যুঞ্জয়ী রেশমা

সৃষ্টিকর্তার অপার মহীমায়
ধ্বংশ স্তুপের ভেতর থেকে-
 মৃত্যুঞ্জয়ী কালের স্বাক্ষী
অক্ষত রেশমাকে- পাওয়া যায়।

স্বজনের কান্না- আহাজারিতে
সাভারের বাতাস ভারি হয়ে আছে
রেশমাকে বাঁচানোর খবর শুনে
আনন্দে সাভার নেচে উঠেছে।

হাজারো কষ্ট- যন্ত্রনা ভূলে
ক্ষুধার জ্বালা- দিন রাত সহে
অন্ধকার গুহার আধার ঘড়ে
বেঁচে ছিল রেশমা- মৃত্যুঞ্জয়ী হয়ে।

পৃথিবী দেখে অবাক চোখে-
এক/১ এক/১ করে- ১৭-দিন পরে
জীবন মরন-মাঝে, যুদ্ধ শেষে-
রেশমা-এলো ফিড়ে- মায়ের বুকে।

বোঝার সাধ্য, বলো কার আছে-
১৭-দিন পরে জীবিত কাউকে পাবে।
দেশের মানুষ বার বার দেখে-
মৃত্যুকে জয় করে রেশমা ফিড়েছে।

হাজারো মানুষের প্রান হানি দেখে
আকাশ, বাতাস আর বাংলা কাঁদে
অবশেষে আশার প্রদীপ জ্বেলে
রেশমা ফিড়ে এলো বাংলার বুকে ।

 মানুষের কষ্ট সব ভূলে গিয়ে
কিছু সময় হলেও আনন্দে ভাসে
পৃথিবীতে নজির ২-বার আছে
৩-বারের নজিরায় রেশমা বাঁেচ।

তরি ঘরি করে- সি-এম-এইচ-এ
রেশমাকে নেয়া হয় চিকিতসা দিতে
সব কিছু ভূলে- সব কাজ ফেলে-
প্রধানমন্ত্রীও ছুটে যান খবর পেয়ে-

ভালো কর্মের ফলাফল নিয়ে 
সৃষ্টিকর্তার অসেশ কৃপাতে
সার্থক জনম নিয়ে-নতুন করে
২য়-বার রেশমা, এলো দুনিয়াতে।
 
শ্রষ্টা যদি তার- সৃষ্টিকে রাখে
মারবে বলো তারে কোন জনাতে-
সবাই রেশমাকে নিয়ে দোয়া চাইবেন
যদি পারেন একবার ঘুড়ে আসবেন।

উদ্ধার-কর্মিদের কৃতজ্ঞতা জানাই
দিন রাত কষ্ট করেও হার মানে নাই
সৃষ্টিকর্তার- প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই
সেই সাথে রেশমার সুন্দর জীবন চাই।

সবাইকে ধন্যবাদ---