বাংলাদেশে রাজাকারের সেংখ্যা কত বলতে পারবেন...? পারবেন না। বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত? তা আরও জটিল। আমরা এমন এক দেশে বাস করি যেখানে মাঝে মাঝেই মুক্তিযোদ্ধার জন্ম হতে দেখি যেমন তেমনি দেখি রাজাকারের সংখ্যা বৃদ্ধি আসুন আমরা আর জাতিকে বিভক্তির দিকে না ঠেলে দিয়ে ।আমরা কোটা মানি না আন্দোলনে শরিক হয়ে ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিই.... আর কোন দাবি নয় এই নগন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ফকিন্নির পুতের ন্যাজ্য পাওনা চাকুরির ব্যবস্থা পাকা করতে হবে। কোন কোটার আড়ালে আমার অধিকারকে ঢেকে যেতে দেব না.... সবাই স্ববান্ধবে আগামির আন্দোলনে..... রক্ত দেব তবু আমার প্রাপ্ত অধিকার হাতছাড়া হতে দেব না.... আর যারা এই আন্দোলনের বিরোধীতা করছেন তাদেরকে বলতে চাই বাংলাদেশের মাটি রক্তের বিনিময়ে কেনা, এখানে যুদ্ধ করেছে সুবিধা বঞ্চিতরা সুবিধা বাদিরা নয়। আপনাদের লজ্জা করা উচিৎ, আপনি অন্যের খাবারে ছাই ছিটিয়ে সেটা নিজে পেট পুরে খাচ্ছেন আর আপনার সেই ভাইটি আজ অর্ধাহারে অনাহারে দিন কাটাচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধার সম্মানের ধোয়া আপনাদের মুখে মানায় না। আপনারা মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে রাজনীতি করছেন তাঁদের সম্মান দিচ্ছেন না। তাদেরকে আপনারা সমালোচনার পাত্রে পরিনত করছেন। তাদের যদি সম্মান দেখাতে চান তাহলে সরকারি খরচে তাঁদেরকে পুনর্বাসীত করেণ তাতে কেউ বাধা দেবে না বরং বাহবা জানাবে। তাদের কে সরকারি বিশেষ কার্ডের আওতায় এনে রাষ্ট্রীয় সকল মৌলিক আধিকার নিশ্চিৎ করূন... আর আমাদের দাবি মেনে নিয়ে আমার অভাগী মায়ের মুখে একমুট খাবার তুলে দেয়ার মত অধীকারটুকু নিশ্চিৎ করূন। মায়ের ঐ মলিন মুখটি আর দেখতে পারছি না। বড় বেদনার সেই চাহনি যে দৃষ্টিতে মা আজ আমার দিকে তাকিয়ে। আমি আজ বজ্রমুষ্টি, আমি আজ আগুনের লেলিহান শিখা... । আমার রক্তের চেয়ে আমার মায়ের মুখের সেই বুক ভাংঙা আক্ষেপ অনেক কষ্টের অনেক বেদনার । আমার মায়ের মত শত মায়ের মুখের হাসি আজ হারিয়ে যাচ্ছে কতিপয় স্বার্থন্বেসী কোটার আড়ালে। না আর এটা হতে পারে না। আর এটা হতে দেব না... আসুন ভাই বোনেরা আমরা আমাদের সেই অধীকারটিকে ছিনিয়ে নিতে আমার কাছের যে কোন আন্দোলনের মাঠে মাথা উচু করে জানিয়ে দিই “আমরা কোন ধরনের কোটা মানি না মানবে না। এক কথা এক দাবি, কোটা তুই কবে যাবি?